এম,ভি,গ্লোরি — খুলনা ও মোংলা থেকে ৩ দিন ২ রাতের সুন্দরবন শিপ ট্যুর। ধারণক্ষমতা 54 জন, 24 কেবিন। কটকা, হিরণ পয়েন্ট, দুবলার চর ও করমজল ভ্রমণসহ। জনপ্রতি ৳18000 থেকে শুরু।
সকল রুম প্যানোরামা ১৮০০ রিভারভিউ সুবিধা।মিউজিক কর্নার। সিটিং সুবিধাসহ সুইমিং পুল।ডাইনিং-মাল্টি পারপাস রুম এবং সুবিধা:একইসাথে সবাই খাবার খাওয়া ডাইনিং ব্যবস্থা।বড় টেলিভিশন, মাল্টিমিডিয়া।লাইভ বার-বি-কিউ-এর ব্যবস্থা, জুস কর্নার।সাধারণ বৈশিষ্ট্য: জাহাজের প্রত্যেকটি রুমে একই ধরনের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে, যেমন: আধুনিক অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা সহ প্রশস্ত রুম।শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শিপ।আরামদায়ক বিছানা। আয়না। ইন্টারকম সুবিধা। ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস। ব্যাগ/লাগেজ সংরক্ষনের জন্য কেবিনেট। জাহাজে থাকছে ইন্টার কানেক্টিং রুম। এটাচড ওয়াশরুম। ওয়াশরুমে সার্বক্ষনিক নরমাল এবং হট ওয়াটার সাপ্লাই।৫০,০০০+ লিটার বিশুদ্ধ পানি রিজার্ভ ক্ষমতা।সুস্বাদু খাবার তৈরির জন্য খুলনার বিশেষজ্ঞ শেফ।সার্বক্ষনিক চা ও কফির ব্যবস্থা।সেমিনার পরিচালনার কক্ষ। আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম।ডিজে সেট আপ ইত্যাদি।ব্রীজ ডেক এবং মেইন ডেক থেকে সুন্দরবন উপভোগের জন্য প্রচুর খোলা জায়গা এবং বসার ব্যবস্থা। গল্প আড্ডার জন্য আরামদায়ক স্থান। রিডিং কর্নার।আপনাদের নিরাপওার জন্য সার্বক্ষনিক নিয়োজিত থাকবে বাংলাদেশ বনবিভাগের দুই জন সশস্ত্র নিরাপওা কর্মী । আবহাওয়া এবং অন্য যে কোন প্রয়োজনে VSF এর মাধ্যমে ফরেস্ট, কোষ্ট গার্ড এবং নৌ-বাহিনীর সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন।
খাবার তালিকা
প্রতিদিন ৩ বার স্ন্যাক্স সহ ডবল মেন্যুর ৬ বার খাবার থাকবে। চা এবং কফির ব্যবস্থা।
বি:দ্র: সিজনের কারনে খাবার মেনুর সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।
বুকিং ও ভ্রমণ পলিসি
বুকিং করার আগে অনুগ্রহ করে এই শর্তগুলো ভালোভাবে পড়ুন
বুকিং নিশ্চিত করতে জনপ্রতি নূন্যতম ৫০% অগ্রিম জমা দিতে হবে — সরাসরি অফিসে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অথবা বিকাশের মাধ্যমে।
শিশু নীতি: ১-৩ বছর সম্পূর্ণ ফ্রি (মা-বাবার সাথে খাবার শেয়ারিং); ৩-৮ বছর প্রাপ্তবয়স্কের ৫০% চার্জ প্রযোজ্য।
সাধারণত ৩ দিন ২ রাতের প্যাকেজ, তবে চাহিদা অনুযায়ী কাস্টমাইজ করা যায়।
ভ্রমণের উপযুক্ত সময় অক্টোবর থেকে মার্চ — এ সময় বন্যপ্রাণী বেশি দেখা যায়।
বিদেশি পর্যটকদের জন্য অতিরিক্ত ১০,৫০০ টাকা ফরেস্ট এন্ট্রি ফি প্রযোজ্য।
আবহাওয়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞা বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তারিখ, স্পট বা শিপ পরিবর্তন হতে পারে।
বুকিং বাতিলের ক্ষেত্রে কর্তনের হার
৩০ দিন পূর্বে
২০%
১৫ দিন পূর্বে
৫০%
৭ দিন পূর্বে
৭০%
৪ দিন পূর্বে
৮০%
৩ দিন ২ রাত ট্যুর প্ল্যান
প্রতিটি সুন্দরবন ট্যুরে যা যা ঘুরে দেখবেন — দিন অনুযায়ী বিস্তারিত সময়সূচি।
শুরু: খুলনা
1
১ম দিন
সকাল ৭টায় খুলনা থেকে আমাদের গাইড রিসিভ করে শিপে নিয়ে যাবেন; রূপসা-পশুর নদী হয়ে শিপ চলবে আন্ধারমানিকের উদ্দেশ্যে।
দুপুরের খাবারের পর আন্ধারমানিকে নেমে সশস্ত্র নিরাপত্তা রক্ষী ও প্রশিক্ষিত গাইডের সাথে ফুট ট্রেইলে হাঁটা — হরিণ প্রজনন কেন্দ্র ও ডলফিন টাওয়ার পরিদর্শন।
রাতে শিপ চলবে কটকা অভয়ারণ্যের উদ্দেশ্যে।
2
২য় দিন
ভোরে দেশি নৌকায় ক্যানেল ক্রুজিং এবং বাদামতলা সী বীচ পরিদর্শন — সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থল।
নাস্তার পর টাইগার টিলা, কেউড়া সুটি ও কটকা সৈকত ভ্রমণ, হিরণ পয়েন্টে বোট ট্রিপ ও মিষ্টি পানির পুকুর দর্শন।
দুবলার চরের সমুদ্র সৈকত ও শুটকি পল্লি ঘুরে শিপে প্রত্যাবর্তন।
3
৩য় দিন
সকালে করমজল কুমির প্রজনন কেন্দ্র পরিদর্শন — হরিণ, কুমির, কচ্ছপ ও বানরের দেখা মিলবে।
আনুমানিক বিকাল ৪-৫টার মধ্যে খুলনা পৌঁছে ট্যুর সমাপ্ত (জোয়ার-ভাটার কারণে সময় কিছুটা কম-বেশি হতে পারে)।
সমাপ্তি: খুলনা
সাথে যা যা রাখবেন
প্রয়োজনীয় ঔষধ, টুথব্রাশ ও পেস্ট
ক্যাপ, সানগ্লাস, সানস্ক্রিন লোশন
ক্যামেরা, মেমরি কার্ড ও পাওয়ার ব্যাংক
টেলিটক সিম কার্ড (বনের গভীরে শুধু টেলিটক নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়)
সাবান, শ্যাম্পু ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় সামগ্রী
জাতীয় পরিচয়পত্র, না থাকলে ফটোকপি
শিপে ওঠার পর কেনাকাটার কোনো সুযোগ নেই। বনের গভীরে কিছু জায়গায় শুধু টেলিটক নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়।